শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝিনাইদহে আলোর দিশারী’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নিলয়ের ‘হৃদয় নিয়ে খেলা’ সিনেমায় শিশির সর্দার ঝিনাইদহ সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের বিদায় অনুষ্ঠান ঝিনাইদহে মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের সমাপনী ঝিনাইদহে ২ দিন ব্যাপী কারাতে সেমিনারের উদ্বোধন জেলার শ্রেষ্ঠ হয়েছেন বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি সুমন ভক্ত ও এসআই ঝন্টু কুমার বসাক ঝিনাইদহে স্কাউটস’র প্রতিষ্ঠতা গিলওয়েল’র ১৬৭ তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন শূন্যরেখায় দুই বাংলার ভাষাপ্রেমিদের শ্রোদ্ধা নিবেদন খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি “শার্শা উপজেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ” এর পক্ষ থেকে ২১শে শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পণ

ঝিনাইদহে স্ত্রী ও সন্তান হত্যার ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যুদন্ড

বসির আহাম্মেদ,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।
  • Update Time : সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৩ Time View

ঝিনাইদহে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার ঘটনায় সুজন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক আব্দুল মতিন এ রায় ঘোষনা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত সুজন শৈলকুপা উপজেলার দোহা-নাগিরাট গ্রামের মোঃ বিশারত হোসেনের ছেলে। রায় সুত্রে জানা যায়, শৈলকুপা উপজেলার নোন্দীরগাতী গ্রামের সালেহা বেগমের কন্যা ইয়াসমিনের বিয়ে হয় সুজনের সাথে। পরে তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপর থেকেই সুজনের পরকীয়া নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। এ ঘটনার জের ধরে সুজন তার স্ত্রী ও সন্তানকে শশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। কিছুদিন পরে সুজন অন্যদের সাথে নিয়ে স্ত্রী ও সন্তানের সাথে বিবাদে জড়াবেনা বলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়ি ফিরিয়ে আনার ১৫ দিন পর ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সুজনের স্বজনদের কাছে ইয়াসমিনের পরিবার জানতে চাইলে তারা বলেন ওরা বেড়াতে গেছে। কিছুদিন পর সুজনের বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়না। পরে ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে ওই বছরেরই ২২ মার্চ তাদের পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে অভিযোগ দায়ের করে ইয়াসমিন এর মা সালেহা বেগম। পরে আদালত সেটি এজাহার হিসাবে গণ্য করেন।  আদালতের নির্দেশে শৈলকুপা থানা পুলিশ জানতে পারে সুজন শেখ ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার মৈজদ্দি-মাতব্বরকান্দি গ্রামে আতœগোপনে আছে। সেখানে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সুজন স্বীকার করে যে তার স্ত্রী ইয়াসমিনকে ফরিদপুর জেলার পদ্মানদীর তালুকের চরে শ^াসরোধ করে এবং ছেলে ইয়াসিনকে গলা টিপে হত্যা করে বালিচাপা দিয়ে রেখেছে। পরবর্তিতে পুলিশ ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। সাক্ষ্য প্রমান শেষে বিজ্ঞ আদালত গতকাল সোমবার দুপুরে সুজন কে স্ত্রী ও সন্তান হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 SN BanglaNews
কারিগরি সহযোগিতায়: