শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ঝিনাইদহে আলোর দিশারী’র প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নিলয়ের ‘হৃদয় নিয়ে খেলা’ সিনেমায় শিশির সর্দার ঝিনাইদহ সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের বিদায় অনুষ্ঠান ঝিনাইদহে মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের সমাপনী ঝিনাইদহে ২ দিন ব্যাপী কারাতে সেমিনারের উদ্বোধন জেলার শ্রেষ্ঠ হয়েছেন বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি সুমন ভক্ত ও এসআই ঝন্টু কুমার বসাক ঝিনাইদহে স্কাউটস’র প্রতিষ্ঠতা গিলওয়েল’র ১৬৭ তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন শূন্যরেখায় দুই বাংলার ভাষাপ্রেমিদের শ্রোদ্ধা নিবেদন খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি “শার্শা উপজেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ” এর পক্ষ থেকে ২১শে শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পণ

নারী সাংবাদিককে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৩ Time View

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে কোণঠাসা স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্রমাগত বোমা বর্ষণ আর স্থল অভিযানে গাজা পরিণত হয়েছে জীবন্ত জাহান্নামে। সেই সাথে আছে ধরপাকড়। শিশু থেকে নারী কিংবা বৃদ্ধ কেউই বাদ যায়নি ইসরায়েলি গ্রেফতার থেকে। নির্বিচার এই গ্রেফতারের শিকার হয়েছিলেন ফিলিস্তিনের নারী সাংবাদিক লামা খাতার।

কারাগার থেকে বেরিয়ে তিনি নিজেই শোনালেন সেই ভয়াবহ দিনগুলোর ভয়ংকর গল্প। মুক্ত বাতাসে স্বস্তি আছে, তবুও শ্রান্তিতে ভুগছেন লামা।

৪৭ বছর বয়সী এই নারী সাংবাদিক গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় ষষ্ঠ দফায় ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পান।
লেখক ও সাংবাদিক লামা খাতার ইসরায়েলি দখলদারদের নানা অপরাধে সংবাদ সংগ্রহ করতেন। এবার তিনি শিকার হলেন সেই জঘন্য কাণ্ডের।

১৩ মাস বন্দী শিবিরে ছিলেন এই নারী সাংবাদিক। প্রথমে তাকে একটি বসতি ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথম দফা জিজ্ঞাসাবাদেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা তাকে নানা ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ধর্ষণের হুমকিও ছিল। লামা বলেছেন, তারা আমাকে, আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন। এমনকি তারা তাকে গাজায় নির্বাসিত করারও হুমকি দিয়েছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল, তিনি একজন যুদ্ধবন্দী, তাই তারা তার সঙ্গে যা খুশি করতে পারেন।

লামা আরও বলেন, চার দিন পরে তাকে হাশারন কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আরও পাঁচজনের সঙ্গে ছোট্ট একটি কুঠুরিতে আটকে রাখা হয়। অথচ সেই সেলটি বানানো হয়েছে একজনের জন্য। সেলটির পরিবেশ ছিল নোংরা। লামা জানালেন, সেলটি পরিষ্কার করার মতো পর্যন্ত পানি দেওয়া হয়নি। দিনে আট ঘণ্টা তাদের পানিও দেওয়া হতো না। যেহেতু খুব ছোট জায়গা ছিল, তাই তাদের ছয়জনকে পালা করে বসতে ও শুতে হতো।

এরপর দামোন কারাগারে পাঠানো হয় লামাকে। সেখানে বিবস্ত্র করেও নির্যাতন করা হয় তাকে।

সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 SN BanglaNews
কারিগরি সহযোগিতায়: